আপনি নতুন বাচ্চাকে ঘরে এনেছেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা মুখের দিকে তাকিয়ে থাকেন। হঠাৎ খেয়াল করেন, গায়ের রং কেমন যেন হলদেটে। চোখের সাদাটাও একটু হলুদ। বুকটা ধক করে ওঠে।
এটা কি স্বাভাবিক? নাকি কোনো গুরুতর সমস্যা?
প্রায় সব নতুন বাবা-মা-ই ‘নবজাতক জন্ডিস’ সম্পর্কে নাম শুনে রাখেন, কিন্তু নিজের সন্তানের ক্ষেত্রে না পড়লে বিষয়টা ঠিক বোঝা যায় না। ভালো দিক হল, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নবজাতক জন্ডিস একেবারে স্বাভাবিক এবং কিছু দিনের জন্যই থাকে। তবে কিছু পরিস্থিতিতে এটা দ্রুত চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।
এই গাইডে দুটো দিকই থাকবে - কখন নিশ্চিন্তে থাকতে পারেন, আর কখন দেরি না করে শিশুর ডাক্তার বা নিকটস্থ হাসপাতাল / ১৬২৬৩, ৩৩৩, ৯৯৯ নম্বরে ফোন করবেন।
জন্ডিস মানে বাচ্চার ত্বক আর চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যাওয়া। এর মূল কারণ রক্তে বিলিরুবিন নামের পদার্থের মাত্রা বেশি হওয়া।
বিলিরুবিন কী?
আমাদের শরীরে পুরোনো লাল রক্তকণিকা ভেঙে গেলে যে হলদেটে বর্জ্য তৈরি হয়, সেটাই বিলিরুবিন। বড়দের ক্ষেত্রে লিভার এই বিলিরুবিন প্রক্রিয়াজাত করে মল দিয়ে বের করে দেয়।
নবজাতক শিশুর ক্ষেত্রে কয়েকটা বিষয় আলাদা:
ফলে যেটা হয়, রক্তে বিলিরুবিন জমা হওয়ার গতি যদি লিভারের পরিষ্কার করার ক্ষমতার চেয়ে বেশি হয়, তখন সেটা ত্বকে আর চোখে দেখা দিতে শুরু করে। এটাই নবজাতক জন্ডিস বা শিশুর জন্ডিস।
যা যা দেখাতে পারে:
এই হল ক্ল্যাসিক নবজাতক জন্ডিস লক্ষণ যা শিশু বিশেষজ্ঞ, গাইনী ডাক্তার বা কমিউনিটি ক্লিনিকের স্বাস্থ্যকর্মীরা খেয়াল করেন।
খুবই সাধারণ।
বাংলাদেশসহ সারা দুনিয়ার তথ্য অনুযায়ী আনুমানিক:
তাই আপনার বাচ্চার গায়ের রং যদি একটু হলুদ দেখায়, আপনি একা নন। আমাদের সরকারি হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ, বেসরকারি ক্লিনিক - সব জায়গাতেই প্রায় প্রতিদিনই শিশুর জন্ডিস ধরা পড়ে।
প্রশ্নটা সাধারণত হয় না, „আমার বাচ্চার জন্ডিস হয়েছে কি না?“ বরং হয়, „কেমন ধরনের জন্ডিস, আর এটা কি নিরাপদ পর্যায়ে আছে?“
সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ধরনের জন্ডিস, তাকে বলা হয় ফিজিওলজিক্যাল জন্ডিস নবজাতক। নামটা বড় হলেও অর্থটা সহজ - জন্মের পর বাচ্চার নতুন পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ।
সময়ে জন্মানো সুস্থ বাচ্চার ক্ষেত্রে ফিজিওলজিক্যাল জন্ডিস সাধারণত:
অপরিণত বাচ্চাদের (প্রি-টার্ম) ক্ষেত্রে লিভার আরও অপরিপক্ব থাকে, তাই তাদের জন্ডিস কিছুটা বেশি দিন, কখনও কখনও ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে।
এই সময়ের হিসাবটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাই ডাক্তাররা জিজ্ঞেস করেন, জন্ডিস কখন থেকে শুরু হয়েছে, আর ক’দিন ধরে আছে।
যদি আপনার বাচ্চা অন্য সব দিক দিয়ে ভালো থাকে, ঠিক মতো খায়, প্রস্রাব-পায়খানা ঠিক থাকে, আর জন্ডিস ২য় বা ৩য় দিন থেকে শুরু হয়ে ধীরে ধীরে কমতে থাকে, তবে সেটা সাধারণত ফিজিওলজিক্যাল বা স্বাভাবিক নবজাতক জন্ডিস।
এখানেই বেশির ভাগ বাবা-মায়ের কনফিউশন শুরু হয়। শুনতে প্রায় একরকম, কিন্তু অর্থে একটু পার্থক্য আছে:
চলুন আলাদা করে দেখি।
এই ধরনের স্তন্যপান জন্ডিস সাধারণত জন্মের প্রথম সপ্তাহে দেখা যায়, আর বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এর পেছনে থাকে পর্যাপ্ত দুধ না পাওয়া।
যে সব কারণে এমন হতে পারে:
যখন বাচ্চা কম দুধ পায়:
এটাই ডাক্তারদের ভাষায় স্তন্যপান জন্ডিস।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: এখানে দোষটা স্তন্যপানের নয়। মূল সমস্যা দুধের পরিমাণ কম হওয়া বা সঠিকভাবে না খাওয়ানো, যার ফলে বিলিরুবিন বের হতে দেরি হয়।
কি করলে উপকার হবে:
সাধারণত একবার খাওয়ানো ঠিকঠাক হলে, বাচ্চার বিলিরুবিন স্তর ধীরে ধীরে কমে এবং হলদেটে রং ফিকে হয়ে যায়।
ব্রেস্ট মিল্ক জন্ডিস কিন্তু আলাদা বিষয়।
এর বৈশিষ্ট্য:
মায়ের দুধে থাকা কিছু প্রাকৃতিক উপাদান অল্প কিছু বাচ্চার ক্ষেত্রে লিভারের বিলিরুবিন প্রসেস করার গতি একটু কমিয়ে দেয়। ফলে বিলিরুবিন স্তর কিছুটা বেশি থেকে যায়, যদিও বাচ্চা পুরোপুরি সুস্থ থাকে।
ডাক্তাররা সাধারণত ব্রেস্ট মিল্ক জন্ডিস বলেন যখন:
বাংলাদেশে শিশু বিশেষজ্ঞরা সাধারণত শুধু ব্রেস্ট মিল্ক জন্ডিস থাকার কারণে মায়ের দুধ বন্ধ করতে বলেন না। কারণ এই ধরনের জন্ডিস সাধারণত ক্ষতিকর নয়, আর দীর্ঘমেয়াদে বুকের দুধের উপকারিতা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
তবে নিশ্চিন্ত হওয়ার জন্য ডাক্তার প্রয়োজন মনে করলে বিলিরুবিন পরীক্ষা সহ কিছু রক্ত পরীক্ষা করতে পারেন, যেন নিশ্চিত হওয়া যায় অন্য কোনো সমস্যা নেই।
শুধু চোখে দেখে আন্দাজ করে ডাক্তাররা সিদ্ধান্ত নেন না।
নবজাতক জন্ডিস মূল্যায়নের জন্য কিছু ধাপ অনুসরণ করা হয়।
সবার আগে যা করা হয়:
চোখে দেখে ধারণা নেওয়া হয়, কিন্তু এটা সবসময় নির্ভুল নয়, বিশেষ করে গায়ের রং গাঢ় হলে। তাই যদি জন্ডিস একটু বেশি মনে হয়, বা বাচ্চা খুব ছোট হয়, তাহলে একধরনের যন্ত্র বা রক্ত পরীক্ষা করা হয়।
অনেক হাসপাতাল বা বড় ক্লিনিকে আপনি দেখতে পারেন, ছোট একটা হ্যান্ডহেল্ড ডিভাইস বাচ্চার কপাল বা বুকে লাগিয়ে রাখা হচ্ছে। এটাকে বলে ট্রান্সকিউটেনিয়াস বিলিরুবিনোমিটার।
এটা কীভাবে কাজ করে:
এটা দ্রুত, ব্যথাহীন, আর কোলে নিয়েই করা যায়।
যদি এই মেশিনে পাওয়া মান বেশি আসে, বা বাচ্চা খুব অল্প বয়সী / প্রি-টার্ম হয়, তাহলে সাধারণত পরের ধাপে একটি বিলিরুবিন ব্লাড টেস্ট করা হয়, যেন সঠিক মাত্রা জানা যায়।
এই পরীক্ষায় বাচ্চার গোড়ালিতে ছোট সূচ ফুটিয়ে বা শিরা থেকে সামান্য রক্ত নেওয়া হয়। ল্যাবরেটরি সাধারণত দেখে:
বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে হাসপাতালগুলোতে বিলিরুবিনের ফলাফল একটা নির্দিষ্ট চার্টের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়, যেখানে লেখা থাকে:
স্টাফরা অনেক সময় বলতে পারেন, „চার্টের লাইনের উপরে/নিচে আছে“ - তারা আসলে সেই গাইডলাইন অনুসারেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।
চিকিৎসা নির্ভর করে কয়েকটি বিষয়ের ওপর:
হালকা নবজাতক জন্ডিস থাকলে সবচেয়ে আগে যেটা গুরুত্ব পায়, সেটাই সবচেয়ে সহজ শিশুর জন্ডিস চিকিৎসা:
ভালো খাওয়ালে পায়খানা বেশি হয়। পায়খানা বেশি মানে শরীর থেকে বিলিরুবিনও বেশি বের হয়।
আপনি যদি বুকের দুধ খাওয়ান, তাহলে সঠিক পজিশন আর ল্যাচ নিয়ে সহায়তা দেওয়া হয়। ফর্মুলা দিলে নির্দিষ্ট সময় অন্তর, প্রয়োজন মতো পরিমাণে দিচ্ছেন কি না, সেটা দেখে নেবেন ডাক্তার বা নার্সরা।
যদি বিলিরুবিন স্তর বেশি হয়, তখন বাচ্চাকে জন্ডিসে ফটোথেরাপি দিতে হতে পারে।
ফটোথেরাপিতে বিশেষ নীল রঙের আলো ব্যবহার করা হয়, যেটা ত্বকে জমে থাকা বিলিরুবিনকে এমন রূপে বদলে দেয়, যা শরীর দ্রুত বের করে দিতে পারে।
হাসপাতালে ফটোথেরাপি কেমন হয়:
সাধারণত ফটোথেরাপি নিরাপদ আর বেশ কার্যকর। অনেক বাচ্চারই ১ থেকে ২ দিন ফটোথেরাপি দিলেই কাজ হয়ে যায়।
যখন দেখা যায় বিলিরুবিন নিরাপদ স্তরের নিচে নেমে এসেছে, তখন আলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। কখনও কখনও কয়েক ঘণ্টা/একদিন পর আবার একবার রক্ত পরীক্ষা করা হয়, কারণ সামান্য ‘রিবাউন্ড’ হয়ে মান একটু বাড়তে পারে কি না, সেটা দেখার জন্য।
খুব কম ক্ষেত্রে, যদি বিলিরুবিন স্তর খুব বেশি হয়ে যায় বা খুব দ্রুত বাড়তে থাকে, তখন নবজাতক ইনটেনসিভ কেয়ারে নিবিড় চিকিৎসা লাগতে পারে। এর মধ্যে থাকতে পারে:
এগুলো খুবই বিরল, বিশেষ করে এখনকার মতো সময়ে যখন বিলিরুবিন পরীক্ষা নিয়মিত করা হয় এবং জন্ডিস দ্রুত ধরা পড়ে। তবু ডাক্তারদের এত গুরুত্বের সঙ্গে বিষয়টা দেখা লাগে, কারণ অতিরিক্ত বেশি বিলিরুবিন মস্তিষ্কের ক্ষতি করতে পারে, একে বলে kernicterus। আমাদের দেশে এখন এই জটিলতা খুব বিরল, তাড়াতাড়ি ধরা পড়া আর সঠিক চিকিৎসার কারণে।
বেশির ভাগ নবজাতক জন্ডিস ক্ষতিকর নয়। তবে কিছু „রেড ফ্ল্যাগ“ আছে, যেগুলো থাকলে ধরে নেওয়া হয় প্যাথলজিক্যাল জন্ডিস হতে পারে, মানে শরীরের ভেতরে অন্য কোনো সমস্যা আছে।
মুখ্য সতর্ক সংকেতগুলো নিচে দেওয়া হল।
যদি বাচ্চা জন্মের প্রথম দিনেই চোখে পড়ার মতো হলুদ হয়ে যায়, সেটা আর স্বাভাবিক ফিজিওলজিক্যাল জন্ডিসের মধ্যে পড়ে না।
সম্ভাব্য কারণগুলো হতে পারে:
এ ধরনের জন্ডিস হলে অবশ্যই দ্রুত হাসপাতালে দেখাতে হবে। ওয়ার্ডের ডাক্তার, নিকটস্থ সরকারি হাসপাতাল, বা প্রয়োজনে ৯৯৯, ১৬২৬৩, ৩৩৩ ইত্যাদি নম্বরে যোগাযোগ করতে দ্বিধা করবেন না।
রক্ত পরীক্ষায় যদি দেখা যায় বাচ্চার বিলিরুবিন স্তর:
তাহলে ডাক্তাররা তাড়াতাড়ি ফটোথেরাপি বা অন্য চিকিৎসা শুরু করেন এবং কারণ খুঁজতে থাকেন, যেমন:
এগুলো আপনি ঘরে বসে চোখে দেখে বুঝতে পারবেন না। তবে ডাক্তার আপনাকে বলবেন কেন দ্রুত চিকিৎসা দরকার।
সময়ে জন্মানো বেশির ভাগ বাচ্চার ক্ষেত্রে ফিজিওলজিক্যাল জন্ডিস:
তাই যদি নবজাতক জন্ডিস ২ সপ্তাহের পরও বেশ স্পষ্ট থাকে, বিশেষত তেমন কমার লক্ষণ না দেখা যায়, তাহলে শিশু বিশেষজ্ঞ বা শিশুরোগ Outpatient-এ দেখানো জরুরি।
তারা খতিয়ে দেখবেন:
প্রি-টার্ম বাচ্চার ক্ষেত্রে জন্ডিস একটু বেশি দিন থাকতে পারে, তবু যদি অনবরত থেকে যায়, পরীক্ষা-নিরীক্ষা দরকার।
এটা বাবা-মার জন্য খুব সহজে নজর করার মতো একটা বিষয়।
স্বাভাবিক নবজাতকের পায়খানা:
স্বাভাবিক প্রস্রাব:
যে লক্ষণগুলো উদ্বেগের:
এগুলো লিভার থেকে পিত্ত বের হওয়ার পথে সমস্যা (যেমন biliary atresia) ইত্যাদির লক্ষণ হতে পারে। এ ধরনের লক্ষণ থাকলে তাড়াতাড়ি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে যেতে হবে, কারণ যত তাড়াতাড়ি ধরা পড়ে, তত বেশি ভালোভাবে চিকিৎসা করা সম্ভব।
যদি জন্ডিসের সঙ্গে সঙ্গে দেখা যায়:
তাহলে দেরি না করে দ্রুত সাহায্য চাইতে হবে। গুরুতর জন্ডিস বা ইনফেকশন দুটোরই এ ধরনের লক্ষণ থাকতে পারে।
নিচের যেকোনোটা হলে অপেক্ষা করবেন না:
এসব হলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালের শিশু বিভাগে যান, বা প্রয়োজনে জরুরি নম্বর ৯৯৯, স্বাস্থ্য নির্দেশিকা ১৬২৬৩ বা ৩৩৩-এ যোগাযোগ করুন।
যদি জন্ডিস হালকা হয়, বাচ্চা অন্যভাবে একদম ঠিক থাকে, কিন্তু ২ সপ্তাহ পেরিয়েও রং পুরোপুরি না সারে, তাহলে নিয়মিত আউটডোরে গিয়ে শিশু বিশেষজ্ঞকে দেখান। তারা প্রয়োজন হলে বিলিরুবিন পরীক্ষা আর অন্য টেস্ট করবেন।
অনেক ক্ষেত্রেই হ্যাঁ, স্বাভাবিক।
স্বাভাবিক প্যাটার্নগুলো সাধারণত এমন হয়:
আবার কিছু প্যাটার্ন আছে, যেগুলো স্বাভাবিক নয়:
যদি কখনও সন্দেহ হয়, একা আন্দাজ না করে জিজ্ঞেস করুন। আলোর ভালো জায়গায় বাচ্চাকে দেখিয়ে দিন ডাক্তার/নার্সকে। ডায়াপারের রং, কতবার প্রস্রাব-পায়খানা হচ্ছে, সব বলুন। প্রয়োজন হলে বিলিরুবিন পরীক্ষা করে নেবে তারা।
আপনি অতিরিক্ত চিন্তা করছেন না, বরং যেটা একজন সচেতন বাবা-মার করার কথা, ঠিক সেটাই করছেন - বাচ্চার দিকে খেয়াল রাখা এবং প্রশ্ন করা।
বেশির ভাগ বাচ্চার জন্ডিস কয়েক দিনের মধ্যেই কমে যায়, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক রং ফিরে আসে। এই সময়টায় বারবার দুধ খাওয়ান, বাচ্চাকে কোলে নিন, আর হালকা হলুদ রঙে ভয় না পেয়ে তথ্যভিত্তিক থেকে সিদ্ধান্ত নিন।
যদি সত্যিই কোনো সমস্যা থাকে, দ্রুত ব্যবস্থা নিলে ফল ভালো হয়। আর যদি স্বাভাবিক সীমার মধ্যেই থাকে, তাহলে আপনি নিশ্চিন্ত হতে পারবেন।
যে দিকেই হোক, নবজাতক জন্ডিস নিয়ে আপনাকে একা লড়তে হবে না। আপনার পাশেই আছে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল, কমিউনিটি ক্লিনিক, শিশু বিশেষজ্ঞ আর স্বাস্থ্যকর্মীদের দল - উদ্বেগ হলে সাহায্য চাইতে কুণ্ঠা করবেন না।