নবজাতকের ঘুম প্রত্যেক পিতা-মাতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নবজাতকের ঘুমের নিয়ম বুঝতে আগ্রহী প্রতিটি নবীন মা-বাবার জন্য আমরা নিয়ে এসেছি সম্পূর্ণ গাইড। এটি আপনার শিশুর ঘুমের অভ্যাস সুপারিশ করবে এবং কীভাবে তাদের ধীরে ধীরে একটি শৃঙ্খলিত ঘুমের রুটিনে আনতে সাহায্য করবে।
প্রথমেই বুঝতে হবে, নবজাতক প্রতি দিন প্রায় ১৬-১৭ ঘণ্টা ঘুমায়, কিন্তু বিপত্তি হলো এটি দিন ও রাতে ভাঙা ভাঙা হয়। সাধারণত নবজাতকদের ঘুম সংক্ষিপ্ত হয়, প্রায় ২-৪ ঘণ্টার গড়ে। এক্ষেত্রে নবজাতকের ঘুমের স্তর বুঝতে পারা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিভিন্ন স্তরে আপনার শিশু ভিন্নভাবে সাড়া দেবে।
নবজাতকের জন্য সেরা ঘুমের সময়সূচী নির্ধারণ করতে পারেন তাদের ঝিমানি, ক্লান্তি এবং খাওয়ার প্রচুর সময় বিবেচনা করে। দিনের বেলা তারা সাধারণত প্রতি দুই থেকে তিন ঘণ্টা খেতে থাকে, তাই ঘুমের সময়সূচীতে এটিকে সন্নিবেশ করানো উচিত।
নিরাপদ ঘুমের পরিবেশ নিশ্চিত করতে কীভাবে শিশুটির পৃষ্ঠে মৃদু ও অস্বাস্থ্যহীন কিছু নেই তা যাচাই করুন। সম্পূর্ণ নীরবতায় নবজাতকের ঘুম যতটা সম্ভব শান্ত রাখা উচিত এবং অতিরিক্ত আলো এড়ানো উচিত। অনুমোদিত বিছানার গদি এবং ক্রিব ব্যবহার করার মাধ্যমে সুরক্ষা বৃদ্ধি পাবেঃ-
শিশু অধিক রাতের ঘুম পেতে পুরস্কৃত হলে মৃদু ও সুষম থিপি ব্যবহার করে পড়ানো যেতে পারে। প্রবেশে সহায়ক মৃদু সংগীত বা সাদা শব্দের সহ সময়ের সাথে সাথে এই কার্য হবে।
নবজাতকের ক্লান্তির লক্ষণগুলি হলো চোখ ঘর্ষণ, কান্নাকাটি, হাইতোলা, এবং সাধারন উদ্বেগ। এগুলি পরিলক্ষিত হলে শিশুকে বিছানায় রাখতে উচিত।
দিনে ঘুমাতে না পারলে তাদের দিনের সময় গেম এবং আলোক উজ্জ্বলতা সুরচিত করতে পারেন। রাতে তাদের স্তব্ধ রাখার জন্য অতিরিক্ত হাল্কা আলোর ব্যবহার করতে পারেন।
প্রতিটি শিশুর ঘুমের মধ্যে বিশেষ সাড়া আছে। তাদের জন্য শ্রেষ্ঠ বিছানার রুটিন হল এই সাড়া সন্বন্ধে অবগত থাকা, যাতে আপনি সতর্কতা পূর্ণ করতে পারেন।
মোট করে শিশুকে খাওয়ানোর জন্য রাতে জাগানো উচিৎ নয় যদি তাঁরা সামঞ্জস্যের সময়তালিকা ধরে থাকে। তবে যদি ওজন বৃদ্ধি সমস্যা থাকে, চিকিৎসকের পরামর্শ বিতরণ করা যেতে পারে।
শিশুরা তিন থেকে ছয় মাস বয়সে সম্পূর্ণ রাত ঘুমাতে পারে। তবে এটি এমন এক প্রক্রিয়া, যা প্রতিটি শিশু ভিন্নভাবে অনুভবে পারে।
সাধারণত ছয় থেকে আট সপ্তাহে প্রশিক্ষণ শুরু করা সহজ হয়। শিশু যত বড় হয়, তাদের প্রত্যাশা মতো নিয়ম গড়ে তুলতে সহজ হবে।
নবজাতকের গ্যাস বা রিফ্লাক্স সমস্যা হতে পারে যা তাদের ঘুমের উপর প্রভাব ফেলে। এর জন্য পালঙ্কের মৃদু সমর্থন বা শুয়ে খাওয়ানো এড়িয়ে চলার চিন্তা করা যেতে পারে।
দীর্ঘমেয়াদে সময় জানাতে দিলে আপনার শিশু বুঝতে শিখবে কেন রাতের ঘুম বেশ টানা হয়। দিনের মধ্যেই যতোটা সম্ভব খোলা ও আলোশীতল রাখবেন এবং ব্ল্যাকআউট মেঝায় বাড়তি সহায়িকা।
নবজাতকের ঘুমের অভাবে মা-বাবার মধ্যে ধৈর্যশীলতা ও সতর্ক সংকেত থাকা জরুরি। অন্যান্য দিনের কাজের তালিকা একই রেখেও নিশ্চিত হতে হবে কিছু সাহায্যিং হাত গ্রহণ করতে।
সহ-ঘুমানো যদি সুরক্ষিতভাবে করা হয়, তবে সহায়ক হতে পারে। তবে আপনার শিশুর নিজের ক্রিব রাখা ভালো, যাতে কোন ধরনের বিপত্তি না ঘটে।
যখন শিশু চার মাস বয়স পার করে, তখন ঘুম সমানন্তরে বেশি আগ্রহজনক হতে পারে। এসময় আপনি আরো নিয়মিত ঘুমের দিকেই লক্ষ্য নিবেন।
নবজাতকের জন্য সঠিক ঘুমের অভ্যাস তাদের নিয়ম ব্যবস্থাগত রাখাতে সহায়ক হবে। এটি সময়মত রুটিন, সুরক্ষিত পরিবেশ এবং স্তরের সাড়া ডালবে।
এভাবেই নবজাতকের ঘুমের একটি নিখুঁত ও সঠিক গাইড তৈরী হবে। আশা করি এই তথ্যগুলো আপনাকে নবজাতকের ঘুমের প্রতি একটি সুস্পষ্ট ধারণা দিতে সাহায্য করবে। নবজাতকের ভালো ঘুমের জন্য আপনার প্রচেষ্টা ও যত্ন অব্যাহত রাখুন।